জয় চন্দ্র শীল, বরগুনা জেলা প্রতিনিধি
চৈত্র থেকে আষাঢ় পর্যন্ত উপকূলের নদ নদীতে মশারি জালে শিকার করা হয় গলদা ও বাগদা চিংড়ির রেণু। মূলত সাধারণ মানুষের অজ্ঞতা ও দরিদ্রতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে রেণু সিন্ডিকেট। যা বন্ধ না হওয়ার পেছনে, প্রশাসনের দুর্বলতাকে দুষছেন অনেকে।
চলছে উপকূলীয় নদ নদীতে নির্বিচারে রেণু শিকার। এ কাজে মশারি জাল ব্যবহারের কারণে প্রতিদিনই ধ্বংস হচ্ছে নানা প্রজাতির মাছের লার্ভা, ডিমসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী।
বরগুনার নদী তীরবর্তী এলাকা ঘুরে দেখা যায় রেণু শিকারীদের বেশিরভাগই শিশু, যুবক ও নারী। যাদের অনেকেই রেণু সিন্ডিকেটের দেয়া দাদনের দুষ্টচক্রে আটকে পড়ছেন। রেণু শিকারী ও মৎস্য বিশেষজ্ঞরা জানান, সিন্ডিকেট বন্ধ হলে মিলবে সুফল।
রেণু সিন্ডিকেটের কার্যক্রমও পরিচালিত হয় কয়েক ধাপে, প্রথমে শিকারীদের কাছ থেকে হকাররা ১০০-১৫০ টাকা বাগদা ও গলদা রেণু কিনে বিক্রি করেন মহাজনদের গদিতে, এরপর পাইকরারা বাড়তি দরে মহাজনদের গদি থেকে রেণু কিনে মোটরসাইকেল, ট্রাক যোগে সরবরাহ করেন মোকামে।
এদিকে, অবৈধ শিকারীদের ঠেকাতে অভিযানে নেমে হামলার শিকার হয়তে হয় মৎস্য বিভাগকে। এসব হামলার নেপথ্যে থাকে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট।