জয় চন্দ্র শীল, বরগুনা জেলা প্রতিনিধি
আর মাত্র কয়েকদিন বাকি কোরবানির। এরই মধ্যে কোরবানি ঘিরে বরগুনার বাজার গুলোতে জমে উঠতে শুরু করেছে গবাদি পশুর হাট। বাজারে ছোট ও মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি থাকায় বড় গরু নিয়ে কিছুটা চিন্তিত বিক্রেতারা।
গতকাল শনিবার সকাল থেকে থেমে থেমে ঝিরিঝিরি ও মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে বরগুনায়, এমন প্রতিকূলতার মধ্যেও বরগুনা সদরের সব থেকে বড় গরুর হাট টাউন হল মাঠে ঘুরে দেখা গেছে, কুরবানিকে সামনে রেখে বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছে গরু। দুপুর তিনটা পর্যন্ত ছোট-বড়-মাঝারি আকারের গরু, কয়েক বছর লালন পালনের পর বিক্রির জন্য হাটে তুলেছেন খামারিরা। গবাদ পশু সরবরাহ বেশি থাকায় মূল হাটের আশেপাশেও গরু বিক্রির জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন বিক্রেতারা।
জানা গেছে, হাটে ক্রেতা আনাগোনা থাকলেও বিক্রি ছিল কিছুটা কম। অধিকাংশই দেখেছেন, যাচাই করছেন দাম। বাজার সংশ্লিষ্টরা বলেন, ছোট আকারের দুই থেকে চার মন ওজনের গরু, বিক্রি হয়েছে ষাট হাজার থেকে ৯০ হাজার টাকার মধ্যে। মাঝারি আকারের তিন থেকে পাঁচ মন ওজনের গরুর দাম, এক লাখ ২০ থেকে এক লাখ ৪০ হাজার টাকার মধ্যে। বিশাল আকারের গরু এই বাজারে তেমন ছিল না।
বিক্রেতা বলেন,পশু পালনে খরচ বেড়েছ। কিন্তু সে তুলনায় মিলছে না দাম। গত বছর ২ হাজার টাকায় যে খড় পাওয়া যেত এবছর তার দাম ৩ হাজার টাকা। ভূষি, খুদ, কুড়ার দামও প্রায় আগের তুলনায় ৫০ ভাগ বেড়েছে। খরচ বাড়লেও গরুর দাম আগের মতোই। এরকম চলতে থাকলে পশু ব্যবসা ছেড়ে দেবেন তারা।
ক্রেতাদের ভাষ্য মতে, নানান ধরনের পশু উঠলেও কমছে না দাম পোহাতে হচ্ছে ভোগান্তি।যেই গরুর দাম ৫০-৬০হাজার টাকা সেটার দাম চাচ্ছে৮০-৯০হাজার টাকা,এতে হতাস হয়ে পরছেন ক্রেতারা।এেতাদের দাবী যেকয়দিন বাকী তার মধ্যেই কমবে পশুর দাম,এমনটাই আশা করছেন তারা।
জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো:শহীদুল ইসলাম বলেন,বরগুনা জেলায় গবাদিপশুর সকল চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলা উপজেলাগুলোতে ব্যপকপরিসরে চাহিদামেটানো যাবে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন,এখানকার পশু বিক্রেতারা ন্যাচারাল পদ্ধতিতে খাবার খায়িয়েছে ফলে তারা স্বাভাবিক দাম পাবে, আর ক্রেতারাও সাধ্যের মধ্যে কিনতে পারবে বলে তিনি আশাবাদী।