জিএম রাশেদ চাঁদপুর কচুয়া প্রতিনিধি
চাঁদপুরের কচুয়ার রাজনীতির মাঠ এখন উত্তপ্ত। সামনে জাতীয় নির্বাচন, আর সেই নির্বাচনকে ঘিরে কচুয়ার রাজনীতি জমে উঠেছে। বিএনপির একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী, সাথে জামায়াতের সুসংগঠিত অবস্থান—সব মিলিয়ে কচুয়ার রাজনীতিতে এখন টান টান উত্তেজনা।
এই উত্তপ্ত মাঠেই নতুন করে নাম লিখিয়েছেন আরেক হেভিওয়েট প্রার্থী— মোঃ মেহেদী হাসান। তিনি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক এবং বর্তমানে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের কেন্দ্রীয় সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
গত ২৪ জুলাই রাজধানীতে গণঅভ্যুত্থানের সময় কবি নজরুল সরকারি কলেজের নেতৃত্ব দেন তিনি। সেই সময়কার সাহসী ভূমিকা তাকে তরুণদের মাঝে পরিচিত করে তোলে।
এবার সেই নেতৃত্ব কচুয়াতেও প্রতিষ্ঠা করতে চান মোঃ মেহেদী হাসান। তরুণ এই নেতা মনে করেন, আগামীর কচুয়া হবে তরুণদের কচুয়া। কচুয়ার রাজনীতিতে এখন পরিবর্তনের সময় এসেছে, আর এই পরিবর্তনের নেতৃত্ব দিতেই তিনি মাঠে নেমেছেন।
স্থানীয়রা বলছেন,মোঃ মেহেদী হাসানের আগমন কচুয়ার রাজনীতিতে নতুন জোয়ার এনে দিতে পারে। কেউ কেউ মনে করছেন, তিনি হয়তো এনসিপি’র ব্যানারে, আবার কেউ বলছেন—স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেও মাঠে নামতে পারেন।
তরুণ সমাজে তার গ্রহণযোগ্যতা, রাজনীতিতে স্পষ্ট অবস্থান, আর দলমতের ঊর্ধ্বে উঠে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি—এই সব কিছু মিলিয়ে কচুয়ায় তার অবস্থান দিন দিন শক্তিশালী হচ্ছে।
মোঃ মেহেদী হাসান বলেন, "কচুয়ার মানুষ আমাকে যেভাবে গ্রহণ করছেন, তাতে আমি আশাবাদী। দলমত নির্বিশেষে কচুয়ার সাধারণ মানুষ আমার পাশে থাকবেন, আমি তাদের কাছে সেই প্রত্যাশাই করি।
" এবং কচুয়ার ছাত্র জনতাকে সাথে নিয়ে কচুয়াকে একটি উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে সারা দেশে দৃষ্টান্ত স্থাপন করো ইনশাআল্লাহ,
সব মিলিয়ে বলা যায়, কচুয়ার রাজনৈতিক মাঠে এখন তরুণ নেতৃত্বের এক নতুন সম্ভাবনার নাম—মেহেদী হাসান।