নতুন ভূমিকায় সানিয়া মির্জা, লড়ছেন নির্বাচনে
জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়, ঢাকা-চট্টগ্রামে একাংশ বিদ্যুৎহীন
বাংলাদেশে ১ ট্রিলিয়ন জাপানি ইয়েন বিনিয়োগ ও ২ লাখ কর্মসংস্থানের ঘোষণা
সাতক্ষীরার বৈকারী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত
ঢাকা বাইপাস সড়কন রূপগঞ্জের নলপাথর ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণ কাজ চালুর দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
রূপগঞ্জে ফ্রান্সপ্রবাসীর ২৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিনতাই
সুনামগঞ্জে বিজিবি”র পৃথক দুটি অভিযানে দুইলাখ ৮৯ হাজার ৫শত টাকার ভারতীয় মাদক জব্দ
সুনামগঞ্জে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ অনুরাগী জাগ্রত যুব সংঘের উদ্যোগে শতাধিক অসহায় মানুষের মাঝে বস্ত্র বিতরণ
মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেনটি ক্রিস্টেনসেন সস্রিক রূপগঞ্জের পূজামন্ডব পরিদর্শন
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে ৫৬৬ গ্রাম সোনাসহ যাত্রী আটক
আশির দশকে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার পরিচিত মুখ ছিলেন অভিনেত্রী নিশা নূর। রজনীকান্ত, কমল হাসান, মামুটি এবং মোহনলালের মতো ইন্ডাস্ট্রির বড় তারকাদের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তবে সাফল্যের সেই চাকচিক্যের আড়ালে লুকিয়ে ছিল বিশ্বাসঘাতকতা, আর্থিক সর্বনাশ ও একাকীত্বের এক মর্মান্তিক কাহিনি, যা শেষ পর্যন্ত তার অকালমৃত্যুতে গড়ায়।
তামিলনাড়ুতে জন্ম নেওয়া নিশা নূর সুযোগের মাধ্যমেই চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানা যায়। তিনি ১৯৮০ সালে তামিল চলচ্চিত্র ‘মঙ্গলা নায়াগি’ দিয়ে অভিনয়ে আত্মপ্রকাশ করেন। অল্প সময়ের মধ্যে তিনি তামিল, মালয়ালম, তেলেগু এবং কন্নড় সিনেমা জগতে নিজের অবস্থান তৈরি করেন। আশি ও নব্বইয়ের দশকের শুরুতে তিনি ‘টিক টিক টিক’, ‘শ্রী রাঘবেন্দ্রর’, ‘কল্যাণ আগাথিগাল’, ‘আইয়ার দ্য গ্রেট’, ‘দেবসুরাম’, ‘আভাল সুমঙ্গলিথান’, ‘ইনিমাই ইধো ইধো’, ‘ইলামাই কোলাম’ এবং ‘এনাক্কাগা কাঠিরু’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেন
বছর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সিনেমার প্রস্তাব কমতে থাকে। ক্যারিয়ার মন্থর হয়ে যাওয়ায় নিশা গুরুতর আর্থিক সংকটের মুখে পড়েন। সংসার চালাতে তাকে হিমশিম খেতে হচ্ছিল। পরিবার কিংবা চলচ্চিত্র জগৎ, কারোর কাছ থেকেই তিনি তেমন কোনো সহায়তা পাননি।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এক চলচ্চিত্র প্রযোজকের প্রেমে পড়েছিলেন নিশা। সেই প্রযোজক তার বিশ্বাসের সুযোগ নেন এবং তাকে পরিত্যাগ করার আগে তার সব সঞ্চয় নিঃশেষ করে দেন। এর জেরে তিনি চরম আর্থিক সংকটে পড়েন। অবস্থার আরও অবনতি হলে তিনি দেহব্যবস্থায় জড়াতে বাধ্য হন।
বহু বছর পর তামিলনাড়ুর একটি দরগার বাইরের রাস্তায় তাকে বসবাস করতে দেখা যায়। একসময়ে তার সৌন্দর্য ও রূপের প্রশংসা থাকলেও, তখন তিনি এতটাই শীর্ণকায় হয়ে পড়েছিলেন যে লোকজন তাকে চিনতেই পারত না। একটি তামিল এনজিও তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা জানতে পারেন যে তিনি এইচআইভি বা এইডসে আক্রান্ত। ততক্ষণে তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটেছিল।
চিকিৎসা সেবা পাওয়া সত্ত্বেও ২০০৭ সালে এইডসজনিত জটিলতায় মারা যান নিশা নূর। মৃত্যুর সময় তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৫ বছর।
সূত্র: নিউজ১৮
মন্তব্য করুন