শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিনিয়ত মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে।
মহালছড়িতে ৩৫০ প্রান্তিক কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক: বিতরণ করা হলো সার ও বীজ
হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে– সুনামগঞ্জে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
রূপগঞ্জের দুইশত পরিবার আবারো উচ্ছেদ আতঙ্কে, অনাবাসিক জমিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি
তাহিরপুরে ৩০ অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসামগ্রী বিতরণ করল বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ
বিএনপির আদর্শে ‘অ্যাসোসিয়েশন অব মেরিটাইম প্রফেশনালস (বাংলাদেশ)’-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন
হরিরামপুরে আগ্রাইল দড়িকান্দি যুব সংঘের উদ্যোগে ফুটবল প্রাতি টুর্নামেন্ট-২০২৬ অনুষ্ঠিত।
রূপগঞ্জ সাবেক মন্ত্রী গাজীর বিরুদ্ধে মাদ্রাসার জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন
পীরগঞ্জ পৌরসভায় জি,আর চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ,২০ কেজির জায়গায় দেওয়া হলো১০ কেজি
আবির হোসেন সান (কক্সবাজার) : সাম্প্রতিক কয়েকটি ভিডিওতে কয়েক তরুণীকে মদ্যপ অবস্থায় অশ্লীলভাবে নাচতে দেখা যায়। মুহূর্তেই ভিডিওটি ভাইরাল। তারপর শুরু হয় পরিচিত কৌশল—ঘোলা পানিতে মাছ শিকার।
ভিডিওতে যাদের দেখা গেছে- তারা নিজেদের ‘লেডি বাইকার’ আর ‘সেলিব্রেটি’ বলে পরিচয় দেয়। উদ্দেশ্য? ধনী ছেলেদের টার্গেট করে প্রেমের ফাঁদে ফেলে টাকা, উপহার, আর সুযোগ-সুবিধা হাতিয়ে নেওয়া।
কিন্তু এবার তারা আরও এক ধাপ এগিয়ে—দায় ঢাকতে গিয়ে ফাঁসিয়ে দিল কক্সবাজারের পরিচিত ও সৎ লেডি বাইকার আলিফাকে!
কারণ? মাত্র একটা ছবি।
হ্যাঁ, সেদিন শালিক রেস্টুরেন্টে আলিফার সঙ্গে দেখা করতে চায় সেই মেয়েরা। খাবারের দাওয়াত পায়, ছবি তোলে। সেই একটা মাত্র ছবি এখন ব্যবহার হচ্ছে আলিফাকে অপমানিত করার জন্য!
আলিফা বলেন—
“আমি তাদের চিনতাম না। সৌজন্যবশত রেস্টুরেন্টে একসঙ্গে খাওয়া হয়েছিল। এখন দেখি সেই ছবিকে কেন্দ্র করে আমাকে জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে কুকর্মের সঙ্গে!”
একজন লেডি বাইকার হিসেবে আলিফা তার যোগ্যতায় পরিচিত হয়েছেন—কোনো ভাইরাল ভিডিও দিয়ে নয়। কিন্তু কিছু হিংস্র মেয়ে, যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘লাইক-ফলোয়ার’ এর পেছনে মরিয়া, আজ তাকে টেনে নিচ্ছে এক ঘৃণ্য খেলায়।
এই ‘ভদ্রবেশী হায়েনা’ চক্র ফেসবুকে ছবি তুলে, প্রেমের গল্প ফেঁদে, শেষে ব্ল্যাকমেইল করে। এখন তাদের অপরাধ ঢাকতে গিয়ে যারা নির্দোষ, তাদের নাম জড়ানো হচ্ছে—তাও ঠান্ডা মাথায়, পরিকল্পিতভাবে।
তার ভাই গণমাধ্যম-কর্মী আবির এবং বিভিন্ন গণমাধ্যকমীদের সাথে কথা বলে যানা যায় মূলত মেয়েগুলো আমার বোনেকে কক্সবাজার শালিক রেস্টুরেন্টে দেখা মাএ ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়া প্রচার করে বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হলে সেই মেয়ের ব্যাপারে গোপনে তথ্য কালেক্ট করতে শুরু করি আমি, মেয়েগুলো মূলত ফেমাস ইউটিউবার তরুণ তরুণী বাইকারদের টার্গেট করে তাদের ছবিকে ব্যবহার করে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাই এই বিষয়ে আমার বোনের সম্মান ক্ষুন্ন হয়
এটাই প্রশ্ন—কতদিন আমরা এভাবে নির্দোষদের নামেই দোষ চাপিয়ে যাবো?
কতদিন সোশ্যাল মিডিয়া হবে চরিত্রহননের প্ল্যাটফর্ম?
প্রশাসনের কাছে দাবি—এই প্রতারক মেয়ে চক্র গুলোকে আইনের আওতায় আনা হোক।
আর জনগণের কাছে অনুরোধ—সব দেখে বিশ্বাস করবেন না, যাচাই করুন। আজ যা ভাইরাল হচ্ছে, কাল সেটা হতে পারে আপনার গল্প।
মন্তব্য করুন