হরিরামপুরে নৌপথে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।
রূপগঞ্জে দাফনের আড়াই বছর পর কবর থেকে মালয়েশিয়া প্রবাসীর লাশ উত্তোলন
হরিরামপুরে নদী ভাঙন রোধে চলমান ১৫৫ মিটার অস্থায়ী পাক প্রতিরক্ষামূলক কাজের উদ্বোধন।
পীরগঞ্জে পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অর্ধগলিত নারীর মরদেহ উদ্ধার
চার দশকের অপেক্ষা, এখনও মেলেনি নিরাপদ আশ্রয় জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন কাটছে রূপগঞ্জের দুই প্রতিবন্ধী বোন আছিয়া ও মরিয়মের
রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসা ও সেবনের অভিযোগে ১২ যুবককে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড
মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও শিক্ষার্থীদের মাঝে আশিকার বহুমুখী সহায়তা
শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিনিয়ত মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে।
মহালছড়িতে ৩৫০ প্রান্তিক কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক: বিতরণ করা হলো সার ও বীজ
হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে– সুনামগঞ্জে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
সেলিম চৌধুরী , ষ্টাফ রিপোর্টার
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় আদালতে বিচারাধীন একটি জমিকে কেন্দ্র করে বসতবাড়িতে ভাঙচুর, লুটপাট ও উচ্ছেদের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গঙ্গাচড়া মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী মো. ছিবলী মিয়া।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পূর্ব খলেয়া বিড়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা মো. ছিবলী মিয়া দাবি করেন, পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে তিনি ও তাঁর ভাইয়েরা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। তবে আরএস জরিপে ভুলবশত জমিটি অন্যদের নামে রেকর্ড হওয়ায় রেকর্ড সংশোধন ও স্বত্ব ঘোষণার দাবিতে গঙ্গাচড়া সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ১৯০/২০২১ নম্বর মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে বিচারাধীন।
সংশ্লিষ্ট জমির বিষয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞাও রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ৩০ জুন সকাল ১০টার দিকে কয়েকজন নামীয় ব্যক্তি এবং অজ্ঞাতনামা ১৫ থেকে ২০ জন তাঁর বসতবাড়িতে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায় এবং জমি থেকে উচ্ছেদের চেষ্টা করে। এ সময় তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছান। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা পরে ডোজার এনে বসতবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেয়।
ভুক্তভোগীর দাবি, এরই ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) অভিযুক্তরা আবারও তাঁর বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করে।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য জানতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে সরাসরি দেখা না পাওয়ায় মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর সবুর বলেন, “এ সংক্রান্ত অভিযোগ পেলে আইনগত প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
মন্তব্য করুন