হরিরামপুরে নৌপথে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।
রূপগঞ্জে দাফনের আড়াই বছর পর কবর থেকে মালয়েশিয়া প্রবাসীর লাশ উত্তোলন
হরিরামপুরে নদী ভাঙন রোধে চলমান ১৫৫ মিটার অস্থায়ী পাক প্রতিরক্ষামূলক কাজের উদ্বোধন।
পীরগঞ্জে পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অর্ধগলিত নারীর মরদেহ উদ্ধার
চার দশকের অপেক্ষা, এখনও মেলেনি নিরাপদ আশ্রয় জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন কাটছে রূপগঞ্জের দুই প্রতিবন্ধী বোন আছিয়া ও মরিয়মের
রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসা ও সেবনের অভিযোগে ১২ যুবককে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড
মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও শিক্ষার্থীদের মাঝে আশিকার বহুমুখী সহায়তা
শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিনিয়ত মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে।
মহালছড়িতে ৩৫০ প্রান্তিক কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক: বিতরণ করা হলো সার ও বীজ
হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে– সুনামগঞ্জে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
নিজস্ব প্রতিনিধি।
মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার ধুলশুড়া এলাকায় যমুনা ও পদ্মা নদীসহ দেশের বিভিন্ন নৌপথে কথিত চাঁদাবাজি, অতিরিক্ত টোল-ট্যাক্স আদায় এবং নৌযান মালিক-শ্রমিকদের হয়রানির প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মাবনন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ বাল্কহেড ড্রেজার মালিক-শ্রমিক সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে উপজেলার ধুলশুড়া পদ্মা নদীর তীরে এ কর্মসূচি ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এতে শতাধিক বাল্কহেড ও ড্রেজার মালিক, শ্রমিক এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অংশ নেন।উক্ত সমাবেশের আগে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবি সম্বলিত ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সুরুজ খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বাল্কহেড মালিক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মারফত আলী মিয়াজী।
এছাড়া বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক সমিতির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সবুজ শিকদার মাস্টারসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় সংগ্রাম পরিষদের নেতারা।
মানবন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, যমুনা ও পদ্মা নদীসহ বিভিন্ন নৌপথে বিআইডব্লিউটিএর টোল, ট্যাক্স ও মুরিং চার্জের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে, যা নৌযান মালিক ও শ্রমিকদের জন্য বড় ধরনের আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে। একই সঙ্গে নৌপথে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও ডাকাতির ঘটনাও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে বলে তারা দাবি করেন।
তাদের আরও অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময় নৌযানের সনদপত্র যাচাইয়ের অজুহাতে নৌ-প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাল্কহেড ও ড্রেজার মালিক-শ্রমিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং অযৌক্তিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। এতে নৌপরিবহন কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের জীবিকা হুমকির মুখে পড়ছে।
সমাবেশ থেকে বক্তারা অবিলম্বে অতিরিক্ত টোল-ট্যাক্স আদায়, নৌপথে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও ডাকাতি বন্ধ এবং নৌযান মালিক-শ্রমিকদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান।
অবিলম্বে নৌপথে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও ডাকাতি বন্ধ করা সহ হয়রানিমূলক কার্যক্রম বন্ধ না করা হলে সারাদেশে আরও কঠোর আন্দোলন ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা তাদের দাবির পক্ষে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করেন।
মন্তব্য করুন