রংপুরের হাজীরহাট থানার অভিযানে, পলাতক আসামি নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার
মরিচপুরান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ পারভেজ তালুকদারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত
বিশ্বম্ভরপুরে মাদক নিমূল ও প্রতিরোধে সচেতনতা মুলক সভা
হরিরামপুরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত
১২৫তম বর্ষপূর্তিতে সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, ও চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগীতা
মধ্যনগরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী
ঢাকা জেলা পুলিশের নিয়মিত পুলিশি কার্যক্রম ও বিশেষ অভিযান সংক্রান্ত প্রেস রিলিজ
রংপুরে বায়নার নামে ১৫ বছর ধরে জমি ভোগ দখল
সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি:বর্তমানে দেশে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেলেও চাষিরা ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না, যার ফলে তারা ব্যাপক লোকসানে পড়েছেন।মৌসুমে পেঁয়াজের বেশি দাম দেখে যেসব চাষি এবার আগামজাতের মুড়িকাটা পেঁয়াজ চাষ করেছিলেন তাদের অনেকেই বিপুল লোকসান গুনেছেন। তারা আগামীতে পেঁয়াজ চাষ করবেন কিনা তা নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়েছেন।
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার চাষিরা জানাচ্ছেন, বিঘাপ্রতি তাদের খরচ হচ্ছে ৯০-১ লাখ টাকা। বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৬০০- ১৭০০৷ টাকা মণ দরে। এতেও তারা লোকসানে পড়েছেন। বর্গা চাষিদের খরচ আরও বেশি, প্রায় ২ হাজার টাকা মণ। তারা দাবি করছেন, ন্যায্যমূল্য না পেলে তাদের পুঁজি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।
সালথা উপজেলার পুরুরা গ্রামের চাষি সবুজ মোল্যা জানান, এই বছর আমি ২ বিঘা জমি লিজ নিয়ে উন্নত জাতের পেঁয়াজ চাষাবাদ করি। আলহামদুলিল্লাহ আশানুরূপ ফলন হয়েছে। তবে তাতেও খরচের টাকা উঠবে কি না আশঙ্কায় আছি। তিনি সরকারের কাজে পেঁয়াজের ন্যায্য মূল্য সর্বনিম্ন ২ হাজার টাকা দাবি করেন।
একই গ্রামের চাষি মো: নাজিম মোল্লা বলেন, এই বছর আমি আমার নিজ জমিতে দেড় বিঘা পেঁয়াজ চাষাবাদ করি। গতবারের তুলনায় ফলন এই বছর কম হয়েছে, আর বাজারে দামও গতবারের তুলনায় একটু কম। যার ফলে লোকসানের আশঙ্কায় আছি।
উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়ন এর পেঁয়াজচাষি নজরুল রহমান জানান, তিনি এবার পৌনে তিন বিঘা জমিতে পেঁয়াজ চাষ করেছিলেন। মার্চের শেষে জমিতে পেঁয়াজ তোলার কাজ শেষ করেন। মৌসুম ভালো হওয়ায় এবার প্রতি বিঘায় ফলন হয়েছে ৭০ মন করে। পৌনে তিন বিঘায় পেঁয়াজ পেয়েছেন প্রায় ২০০ মন। পৌনে তিন বিঘার জমি লিজসহ পেঁয়াজ আবাদে তার মোট খরচ হয়েছে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। সব পেঁয়াজ বিক্রি করে তিনি পুরো টাকা তুলতে পারবেন কিনা চিন্তায় আছেন।
উল্লেখ্য ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রয়েছে। রপ্তানি চালু হলে পেঁয়াজের দাম আরো অনেক কমে যাবে বলে কৃষকদের ধারণা। তখন কৃষকের আরো লোকসান পরবে। এই এলাকার কৃষকেরা সরকারের কাছে আরো ৩/৪ মাস পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ রাখার দাবি জানান।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছরে চাষিরা পেঁয়াজের দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি (১২ হাজার হেক্টর) জমিতে আবাদ করা হয়। চলতি মৌসুমে ২ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে।
মন্তব্য করুন