রংপুরের হাজীরহাট থানার অভিযানে, পলাতক আসামি নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার
মরিচপুরান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ পারভেজ তালুকদারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত
বিশ্বম্ভরপুরে মাদক নিমূল ও প্রতিরোধে সচেতনতা মুলক সভা
হরিরামপুরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত
১২৫তম বর্ষপূর্তিতে সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, ও চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগীতা
মধ্যনগরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী
ঢাকা জেলা পুলিশের নিয়মিত পুলিশি কার্যক্রম ও বিশেষ অভিযান সংক্রান্ত প্রেস রিলিজ
রংপুরে বায়নার নামে ১৫ বছর ধরে জমি ভোগ দখল
রাজৈর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি
ইতালি প্রবাসী হালিম খানকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে তার শ্বশুর সোমেদ চৌকিদারের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে গ্রামবাসী ও আত্মীয়-স্বজনেরা। রাজৈর উপজেলার বাদপাশা ইউনিয়নের রাজন্দী দ্বারাদিয়া গ্রামে বুধবার সকালে এই ঘটনা ঘটে।
এ সময় বাড়ির রান্নাঘর, ধানের গোলাঘরসহ বসত ঘরের ভেতরের জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। খবর পেয়ে রাজৈর ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে সোমেদ চৌকিদারের মেয়ে জামাই ও ইতালি প্রবাসী হালিম খান নিহত হন। পরে তাকে রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে মরদেহ রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা।
বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে পরের দিন গ্রামবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং বুধবার সকালে নিহতের আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামবাসী সোমেদের বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেন। তবে এ সময় সোমেদ চৌকিদার ও তার পরিবারের সদস্যরা পলাতক ছিলেন।
প্রসঙ্গত, চার বছর আগে প্রেম করে বিয়ে হয় দ্বারাদিয়া গ্রামের সোমেদ চৌকিদারের মেয়ে রেশমার সঙ্গে হালিম খানের। এটি ছিল হালিম খানের দ্বিতীয় বিয়ে এবং রেশমার চতুর্থ না। ইতালিতে থাকা অবস্থায় শ্বশুর সোমেদের কাছে তিনি পঞ্চাশ লক্ষাধিক টাকা পাঠান। তিন মাস আগে দেশে ফেরার পর টাকার বিষয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ শুরু হয়।
হালিম টাকা ফেরত চাইলে শ্বশুর, শ্যালক ও পরিবারের অন্য সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়।স্থানীয়দের ভাষ্য, হত্যার আগে শ্যালক তাকে বাড়িতে ডেকে নেয়। হত্যার পর মরদেহ রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রেখে পালিয়ে যায় তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েক জন গ্রামবাসী বাংলার মুখ প্রতিবেধক কে বলেন নিহত হালিম খানের পরিবার মারাত্মক ভুল করেছে একরামুল কে আসামী দিয়ে। তা না হলে সোমেদ চোকদারের বিপক্ষে গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে শত ভাগ সাপোর্ট পেতো হালিম খানের পরিবার।
ঘটনার পর গতকাল রাতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলার কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে ঘর পোড়ানো মামলার দুইজন আসামীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে রাজৈর থানা প্রশাসন।
মন্তব্য করুন