রংপুরের হাজীরহাট থানার অভিযানে, পলাতক আসামি নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার
মরিচপুরান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ পারভেজ তালুকদারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত
বিশ্বম্ভরপুরে মাদক নিমূল ও প্রতিরোধে সচেতনতা মুলক সভা
হরিরামপুরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত
১২৫তম বর্ষপূর্তিতে সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, ও চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগীতা
মধ্যনগরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী
ঢাকা জেলা পুলিশের নিয়মিত পুলিশি কার্যক্রম ও বিশেষ অভিযান সংক্রান্ত প্রেস রিলিজ
রংপুরে বায়নার নামে ১৫ বছর ধরে জমি ভোগ দখল
রূপগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আলোচিত হত্যাকান্ড শান্ত সরকার হত্যা মামলার আসামীদের শাস্তি ও গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধনে অংশ নেওয়ায় মামলার আসামি যুবদল নেতা আসাদ ফকিরের ছোট ভাই আনোয়ার হোসেন নামে এক দোকানের কর্মচারীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে৷ গত শনিবার বিকেলে উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়নের হিরনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এসময় মামলার আসামিরা শান্ত হত্যা মামলার বাদী সালাউদ্দিন সরকারকে মামলা তুলে নিতে হুমকি প্রদান করেন। রবিবার সকালে এই ঘটনায় সালাউদ্দিন সরকার বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানা একটি অভিযোগ দেন৷
সালাউদ্দিন সরকার জানান, গত ১১ এপ্রিল বিকেল ৫টায় তার ভাতিজা শান্ত সরকারকে দাউদপুরের জিন্দা এলাকায় হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় সালাউদ্দিন সরকার বাদী হয়ে দাউদপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আসাদ ফকির (৪০), তার ভাই নাঈম ফকির (৩৭), রানা ফকির (৩৫), রোকনউদ্দিন (৪০)সহ ১৭ জনকে নামীয় ও অজ্ঞাত আরো ৭/৮জনকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
গত গত ২২ এপ্রিল এই ঘটনায় সালাউদ্দিন সরকার ও এলাকাবাসী মামলার আসামিদের শাস্তি ও গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। সালাউদ্দিন সরকারের দোকানের কর্মচারী আনোয়ার হোসেন এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।
গত শনিবার বিকেলে আনোয়ার হোসেন দোকান থেকে বাড়িতে যাচ্ছিল। এসময় আনোয়ার হোসেন হিরনাল মাজারের সামনে পৌঁছালে শান্ত হত্যা মামলার আসামি নাঈম ফকির, রানা ফকির, ফরহাদ, অনিক ফকির, এনায়েত, শ্যামল ফকির, সজীব, সুমন মোল্লা, সানী মোল্লাসহ ৪/৫ জন বেশি অস্ত্রশস্ত্র সজ্জিত হয়ে তাকে এলোপাথারিভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন।
এ সময় হামলাকারীরা আনোয়ার হোসেনের কাছ থেকে দোকানের মালামাল ক্রয়ের নগদ ৬৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়৷ আনোয়ার হোসেনের ডাক-চিৎকারে সালাউদ্দিন সরকার সহ আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারিয়া তাদেরকে মামলা তুলে নিতে হুমকি ধামকি প্রদান করেন। পরে তারা আনোয়ার হোসেনকে উদ্ধার করে নিয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
এ ঘটনায় যুবদল নেতা আসাদ ফকির বলেন, আমি কক্সবাজার আছি। শুনেছি একটি সাইনবোর্ড লাগানোকে কেন্দ্র করে তর্ক বিতর্ক হলে আমার ছোট ভাই ও তার লোকজন আনোয়ার হোসেনকে মারধর করেছে। এটির দায়িত্ব আমি নিয়েছি তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি।
এ ব্যাপারে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মন্তব্য করুন