রংপুরের হাজীরহাট থানার অভিযানে, পলাতক আসামি নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার
মরিচপুরান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ পারভেজ তালুকদারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত
বিশ্বম্ভরপুরে মাদক নিমূল ও প্রতিরোধে সচেতনতা মুলক সভা
হরিরামপুরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত
১২৫তম বর্ষপূর্তিতে সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, ও চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগীতা
মধ্যনগরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী
ঢাকা জেলা পুলিশের নিয়মিত পুলিশি কার্যক্রম ও বিশেষ অভিযান সংক্রান্ত প্রেস রিলিজ
রংপুরে বায়নার নামে ১৫ বছর ধরে জমি ভোগ দখল
শাহ্ মুহাম্মদ ছগির হোসেন,নারায়নগঞ্জ প্রতিনিধি:
আজ মঙ্গলবার (২ জুলাই) রাত ৯টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বন্দর থানা উত্তর শাখার সভাপতি ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনের উপর নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এশার নামাজ আদায় করে বাসায় ফেরার পথে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী বিকি, ইমন, সুজন ও নাজিম তার উপর অতর্কিতে হামলা চালায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, ডা. মামুন রাস্তা দিয়ে বাসায় ফেরার পথে উল্লিখিত ব্যক্তিদের রাস্তার পাশে মাদক ও ইয়াবা সেবনের দৃশ্য দেখতে পান। তিনি বাধা দিলে সন্ত্রাসীরা তার উপর দলবদ্ধভাবে চড়াও হয়ে পিটিয়ে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল (ভিক্টোরিয়া) ভর্তি করেন। আহত অবস্থায় তার মাথা, হাত ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর জখম হয়েছে।
হামলার খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জ মহানগর সভাপতি মুফতি মাসুম বিল্লাহসহ একটি প্রতিনিধি দল। এ সময় তিনি ঘটনার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
> “একটির পর একটি আমাদের নেতাকর্মীদের উপর হামলা ন্যক্কারজনক। কিছুদিন আগেই আমাদের নগর সহ-সভাপতির উপর হামলা হয়েছে। আজ আবার থানা সভাপতির উপর পৈচাশিক হামলা। এটি কোনোভাবেই সহ্য করা যায় না।”
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,
> “প্রশাসন যদি অনতিবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা না করে, তাহলে উদ্ভূত পরিস্থিতির দায়দায়িত্ব প্রশাসনকেই নিতে হবে।”
স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
ইতোমধ্যেই বন্দর থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, বিষয়টি তদন্তাধীন এবং অভিযুক্তদের শনাক্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য করুন