রংপুরের হাজীরহাট থানার অভিযানে, পলাতক আসামি নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার
মরিচপুরান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ পারভেজ তালুকদারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত
বিশ্বম্ভরপুরে মাদক নিমূল ও প্রতিরোধে সচেতনতা মুলক সভা
হরিরামপুরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত
১২৫তম বর্ষপূর্তিতে সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, ও চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগীতা
মধ্যনগরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী
ঢাকা জেলা পুলিশের নিয়মিত পুলিশি কার্যক্রম ও বিশেষ অভিযান সংক্রান্ত প্রেস রিলিজ
রংপুরে বায়নার নামে ১৫ বছর ধরে জমি ভোগ দখল
আজিজুল রহমান,রিপোর্টার বাগেরহাট
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার এক শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে না পেরে চরম হতাশা ও কান্নায় ভেঙে পড়েছে। ফিমা আক্তার নামের এই শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে গিয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে তাকে জরুরি ভিত্তিতে ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও দীর্ঘ সময় অজ্ঞান অবস্থায় থাকায় সে আর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। তার জ্ঞান ফেরে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে, কিন্তু ততক্ষণে পরীক্ষার সময় পেরিয়ে যাওয়ায় আর কোনওভাবেই অংশগ্রহণ সম্ভব হয়নি।
ফিমা আক্তারের পিতা বিষয়টি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুমাইয়া আইরিন এবং উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম মোস্তফার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তবে শিক্ষার্থীর জ্ঞান না ফেরার কারণে এবং পরীক্ষার নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ায় তাকে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। ফলে বাধ্য হয়েই এই পরীক্ষাটি আগামী বছর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।
জ্ঞান ফিরে আসার পর মেয়েটি জানতে পারে সে আর পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে না। তখন সে কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বারবার সে অস্থির হয়ে ওঠে, ক্যানুলা খুলে ফেলে এবং পাগলের মতো আচরণ করতে থাকে। তার পরিবার ও চিকিৎসকরা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন, তবে এই দুঃসংবাদ সে কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, ফিমা আক্তার সামনের দিনের অন্যান্য পরীক্ষাগুলোতে অংশগ্রহণ করতে পারবে। তবে আজকের পরীক্ষাটি দিতে না পারার কারণে তাকে আগামী বছর সেই বিষয়ে পরীক্ষা দিতে হবে।
ফিমা আক্তারের এই ঘটনায় তার পরিবার, সহপাঠী ও স্থানীয়দের মধ্যে শোক ও সহানুভূতির সৃষ্টি হয়েছে।
সবার প্রত্যাশা, সে দ্রুত সুস্থ হয়ে বাকি পরীক্ষাগুলোতে ভালোভাবে অংশ নিতে পারবে।
মন্তব্য করুন