ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) কর্তৃক অভিযানে ৪০কেজি গাঁজাসহ ০৩জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
রাজশাহীতে নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
রংপুরের হাজীরহাট থানার অভিযানে, পলাতক আসামি নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার
মরিচপুরান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ পারভেজ তালুকদারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত
বিশ্বম্ভরপুরে মাদক নিমূল ও প্রতিরোধে সচেতনতা মুলক সভা
হরিরামপুরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত
১২৫তম বর্ষপূর্তিতে সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, ও চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগীতা
মধ্যনগরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী
রাজৈর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেত বা লাঠির ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অথচ, মাঠে কাগজ নিয়ে খেলা করায় ৭ ছাত্রকে বেত্রাঘাতে আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। আহতদের মধ্যে ৫ জনকে হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেরে দেওয়া হয়।
(০৫ জুলাই) শনিবার সকালে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার আমগ্রামের ‘বাসাবাড়ি মোহাম্মাদিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা’য় ঘটে এই ঘটনা। আহত শিক্ষার্থীরা হলো, মোস্তাকিম ফকির, মাহিম, গোলাম আব্দুল্লাহ্, সাইফুল, সুলাইমান, আব্দুল্লাহ বেপারী ও জুয়েল। আহত শিক্ষার্থীদের বয়স ৫-৭ বছর।
স্বজন ও আহত শিক্ষার্থীরা জানায়, শনিবার সকালে ‘বাসাবাড়ি মোহাম্মাদিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা’য় শ্রেণিকক্ষে আসতে দেরি করেন শিক্ষকরা। শিক্ষকের দেরি হওয়ায় কয়েকজন শিক্ষার্থী মাদ্রাসার সামনের মাঠে কাগজের কয়েকটি টুকরা নিয়ে খেলছিল।
হঠাৎ সেখানে উপস্থিত হয় সহকারি শিক্ষক শাকিল মোল্লা। পরে ওই শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে ডেকে নিয়ে বেত্রাঘাত করে ঐ শিক্ষক। এতে আহত হয় ৫-৭ বছর বয়সী ৭ জন শিক্ষার্থী।
স্থানীয়রা শিক্ষার্থীদের চিৎকারে ছুটে আসলে ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়ে অভিযুক্ত শিক্ষক শাকিল মোল্লা। পরে আহতদের উদ্ধার করে নেওয়া হয় রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। এই ঘটনায় অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন স্বজন ও এলাকাবাসী।
এদিকে মুঠোফোনে কথা হলে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে অভিযুক্ত শিক্ষক শাকিল মোল্লা বলেন, শিশুদের খেলা দেখে রাগ নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যায়। এতেই ঘটেছে এমন ঘটনা। এজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। মাদ্রাসা থেকে চলে আসার পর ওই শিশুদের আত্মীয়-স্বজন আমার উপর হামলা চালায় আমাকেও ব্যাপক মারধর করে।
বাসাবাড়ি মোহাম্মাদিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক হাফেজ আব্দুল হালিম বলেন, শিশুদের মারধরের সময় আমি মাদ্রাসায় উপস্থিত ছিলাম না। পরে শুনে আমি মাদ্রাসায় আসি, ততক্ষনে ওই শিক্ষক মাদ্রাসা থেকে চলে গেছে।
বিষয়টিতে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
প্রসঙ্গত, ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত ‘বাসাবাড়ি মোহাম্মাদিয়া ইসলামিয়া মাদ্রাসা’য় দুটি বিভাগে ৩০ জন শিক্ষার্থী পড়ালেখা করে। এক সপ্তাহ আগে ওই মাদ্রাসায় সহকারি শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন পশ্চিম রাজৈরের বাসিন্দা শাকিল মোল্লা।
মন্তব্য করুন