রংপুরের হাজীরহাট থানার অভিযানে, পলাতক আসামি নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার
মরিচপুরান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ পারভেজ তালুকদারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত
বিশ্বম্ভরপুরে মাদক নিমূল ও প্রতিরোধে সচেতনতা মুলক সভা
হরিরামপুরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত
১২৫তম বর্ষপূর্তিতে সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, ও চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগীতা
মধ্যনগরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী
ঢাকা জেলা পুলিশের নিয়মিত পুলিশি কার্যক্রম ও বিশেষ অভিযান সংক্রান্ত প্রেস রিলিজ
রংপুরে বায়নার নামে ১৫ বছর ধরে জমি ভোগ দখল
আজীজুল রহমান, রিপোর্টার বাগেরহাট
বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার টাউন-ওয়াপাড়া মহাসড়কের পাশে অবস্থিত হ্যামকো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের মালিকানাধীন ‘এনজিন মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ’-এ সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় কোটি টাকার লুণ্ঠিত মালপত্রসহ ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চট্টগ্রাম, ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
আজ বুধবার (৯ জুলাই) দুপুরে বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. তৌহিদুল আরিফ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার ৪ দিনের মধ্যে দক্ষ তদন্ত ও অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে এই সফলতা অর্জন করা হয়েছে।
কী ঘটেছিল সেদিন?
গত শুক্রবার (৪ জুলাই) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ১৫ থেকে ২০ জনের মুখোশধারী একদল ডাকাত দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে কারখানায় প্রবেশ করে। নিরাপত্তা কর্মীদের বেঁধে রেখে তারা গুদাম থেকে প্রায় ১৫ টন অ্যালুমিনিয়াম বার, আড়াই টন তামার তার ও ১ টন বৈদ্যুতিক তার লুট করে দুটি ট্রাকে করে পালিয়ে যায়। এই মালামাল প্রতিষ্ঠানটির কাঁচামাল হিসেবে সংরক্ষিত ছিল।
হ্যামকো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) মো. সিদ্দিকুর রহমান জানান, ডাকাতদল ভয় দেখিয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের বেঁধে রেখে মালামাল লুট করে। ঘটনার পর থেকেই প্রশাসন দ্রুত তদন্ত শুরু করে।
চৌকস পুলিশের সাফল্য:
ফকিরহাট মডেল থানার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে এসআই মানিক রাজবংশী, এসআই মেহেদী হাসান মিশন ও কনস্টেবল সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত ফকিরহাট থানার বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে ডাকাত চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার করে।
পুলিশের বক্তব্য:
পুলিশ সুপার মো. তৌহিদুল আরিফ বলেন, “পুলিশের চৌকস টিমের নিরলস প্রচেষ্টায় ডাকাত চক্রের ৯ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার এবং মালামাল উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
এলাকাবাসীর প্রতিক্রিয়া:
এ ঘটনায় এলাকাবাসী পুলিশ প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ ও সাফল্যের প্রশংসা করেছেন।
মন্তব্য করুন