ঢাকা জেলার ডিবি (উত্তর) কর্তৃক অভিযানে ৪০কেজি গাঁজাসহ ০৩জন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
রাজশাহীতে নারী মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার
রংপুরের হাজীরহাট থানার অভিযানে, পলাতক আসামি নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার
মরিচপুরান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ পারভেজ তালুকদারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত
বিশ্বম্ভরপুরে মাদক নিমূল ও প্রতিরোধে সচেতনতা মুলক সভা
হরিরামপুরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত
১২৫তম বর্ষপূর্তিতে সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, ও চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগীতা
মধ্যনগরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী
সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
দারিদ্র্যতার সঙ্গে লড়াই করে, অসুস্থ শরীর নিয়ে পরীক্ষায় বসেছিলেন সুব্রত কুমার কুন্ডু। একসময় কান্নাকাটি করে বলেছিলেন, আমি ফেল করবো মা! কিন্তু সব বাধা পেরিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় পেয়েছেন জিপিএ-৫। অথচ এখন সেই সুব্রত এর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। কারণ কলেজে ভর্তি হওয়া নিয়েই শঙ্কায় তার পরিবার।
সুব্রত ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বিষ্ণুদি গ্রামের সুধির কুন্ডুর ছেলে। সুধির কুন্ডু পেশায় একজন ক্ষুদ্র মুদি দোকানদার মা গৃহিনী। অভাব-অনটনে কষ্টে চলে তাদের সংসার। বাড়িতে স্মার্টফোন তো দূরের কথা, সাধারণ মোবাইল ফোনও নেই তার বাড়িতে। সুব্রত ৩ ভাই বোনের মধ্যে ২য়।
সুব্রত এ বছর উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় হতে মানবিক বিষয় নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করেন। যেখানে পাশের হার মাত্র ৩৩.৩৩ শতাংশ, অংশগ্রহন করা ৬৪ জনের মধ্যে পাশ করেছেন মাত্র ২১ জন।
এসএসসি পরীক্ষার ঠিক আগে জ্বরে আক্রান্ত হন সুব্রত সর্দি-কাশিতে ভুগে ভীষণ দুর্বল হয়ে পড়েন। কিন্তু মায়ের হাত ধরে, বাবার সাহসী কথায় ভরসা রেখে পরীক্ষায় অংশ নেন। শারীরিক দুর্বলতা সত্ত্বেও নিয়মিত পরীক্ষায় অংশ নিয়ে শেষ পর্যন্ত ফলাফলে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।
তবে সাফল্যের এই গল্পে এখন এক টুকরো কষ্টের ছাঁয়া। কলেজে ভর্তি হওয়া ও উচ্চশিক্ষা চালিয়ে যাওয়া নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছে সুব্রতর পরিবার। আর্থিক সামর্থ্য নেই, নেই প্রয়োজনীয় বই-খাতা কিংবা কোচিংয়ের সুযোগ।
সুব্রতর মা-বাবার এখন একটাই আকুতি—যদি কেউ এই মেধাবী ছেলেটার পাশে দাঁড়াতেন, তাহলে সে হয়তো আরো এগিয়ে যেতে পারত দেশের জন্য, সমাজের জন্য। এ ধরনের মেধাবী ও প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবান ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি প্রত্যাশা করছে শুভর পরিবার।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আনিচুর রহমান বালি বলেন, সুব্রত জিপিএ-৫ পাওয়ায় তাকে অভিন্দন জানাই। তার পড়ালেখার ক্ষেত্রে ভবিষ্যতে যেকোন সহায়তায় উপজেলা প্রশাসন তার পাশে থাকবে।
মন্তব্য করুন