রংপুরের হাজীরহাট থানার অভিযানে, পলাতক আসামি নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার
মরিচপুরান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ পারভেজ তালুকদারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
মহালছড়িতে শিক্ষার্থীদের ‘স্টার্টআপ ও বিজ্ঞান প্রকল্প প্রদর্শনী’ অনুষ্ঠিত
বিশ্বম্ভরপুরে মাদক নিমূল ও প্রতিরোধে সচেতনতা মুলক সভা
হরিরামপুরে ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ অনুষ্ঠিত
১২৫তম বর্ষপূর্তিতে সরকারি মুড়াপাড়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাক্তন-বর্তমান শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষ্যে রচনা, উপস্থিত বক্তৃতা, ও চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগীতা
মধ্যনগরে স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী
ঢাকা জেলা পুলিশের নিয়মিত পুলিশি কার্যক্রম ও বিশেষ অভিযান সংক্রান্ত প্রেস রিলিজ
রংপুরে বায়নার নামে ১৫ বছর ধরে জমি ভোগ দখল
মোঃ কাউসারুল ইসলাম,মহালছড়ি
খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার মহালছড়ির স্বনামধন্য কৃষিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্বপ্নবিলাস এগ্রো ফার্ম-এর তৃতীয় শাখায় ঘটে গেলো এক চাঞ্চল্যকর ও পরিকল্পিত নাশকতার ঘটনা। রাতের আঁধারে কে বা কারা সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে প্রায় ৭,০০০ বিদেশি ফলের চারা গাছে আগাছানাশক বিষ প্রয়োগ করে পুরো নার্সারিটিকে ধ্বংস করে দেয়।
এ ঘটনায় আনুমানিক ক্ষতির পরিমাণ ৭,৫০,০০০ (সাত লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা) বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার মোঃ খালেদ মাসুদ সাগর।
ঘটনাটি ঘটে গত ৩ জুলাই, রাত ১০টার পর থেকে ৫ জুলাইয়ের মধ্যে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঘটনার আগে পর্যন্ত সিসিটিভি ক্যামেরা সচল থাকলেও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় ক্যামেরাটি নিচে পড়ে যায়। পরে ৫ তারিখের দিকে নার্সারির একটি পাশের চারাগুলো একে একে নিস্তেজ হয়ে মরে যেতে দেখা যায়।
প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার খালেদ মাসুদ দুঃক্ষ নিয়ে বলেন, প্রয়োজনে তোরা আমাকে মেরে ফেলতি, কিন্তু কেন এতগুলো নিষ্পাপ চারাগুলোকে মেরে ফেললি?
তিনি আরো জানান, ঘটনার পরপরই তিনিসরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর গুলোতে ছবি, ভিডিও ও বিস্তারিত তথ্য পাঠালেও, এখন পর্যন্ত কোন কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মহালছড়ি থানার ওসি মোঃ রফিকুল ইসলাম শুধু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে চলে যান, এরপর আর কেউ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখেননি বলেও জানা গেছে।
সাগরের অভিযোগ, মহালছড়িতে ইদানীং চুরি, হুমকি ও সংঘবদ্ধ অপরাধের প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার অন্যতম কারণ প্রশাসনের নির্লিপ্ততা ও দায়হীনতা।
তিনি আশঙ্কা করছেন, সম্প্রতি অন্যায় কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় একটি মহল তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালিয়েছে, এবং ভবিষ্যতে তার জীবনেরও ঝুঁকি রয়েছে।
এখন এই প্রতিষ্ঠানে ৩০-৪০টি পরিবার, প্রায় ২০০ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে। এমন অবস্থায় পুরো ফার্ম ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় অনিশ্চয়তায় পড়েছে বহু মানুষের ভবিষ্যৎ।
মন্তব্য করুন