হরিরামপুরে পদ্মা কিশোর ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন- সভাপতি জাহিদুল হাসান টুটুল, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম
রূপগঞ্জে মাদকের যম ইউএনও সাইফুল
রূপগঞ্জে চার কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
ধর্মপাশা থানার ওসি সহিদ উল্ল্যা মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে নাসিম হত্যা মামলার চার্জশিট থেকে ৯জনের নাম বাদ দেয়ার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
রূপগঞ্জে গাউছিয়ায় রাঁধুনী রেস্তোরাঁয় বাসি-পচা খাবার বিক্রির অভিযোগ স্বাস্থ্যঝুকিতে সাধারণ ক্রেতারা
হরিরামপুরে নৌপথে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।
রূপগঞ্জে দাফনের আড়াই বছর পর কবর থেকে মালয়েশিয়া প্রবাসীর লাশ উত্তোলন
হরিরামপুরে নদী ভাঙন রোধে চলমান ১৫৫ মিটার অস্থায়ী পাক প্রতিরক্ষামূলক কাজের উদ্বোধন।
পীরগঞ্জে পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অর্ধগলিত নারীর মরদেহ উদ্ধার
চার দশকের অপেক্ষা, এখনও মেলেনি নিরাপদ আশ্রয় জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন কাটছে রূপগঞ্জের দুই প্রতিবন্ধী বোন আছিয়া ও মরিয়মের
মো: আসিফ খান, স্টাফ রিপোর্টার
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে একের পর এক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার প্রতিবাদ, বর্তমান সরকারের নীরব ভূমিকায় ক্ষোভ এবং ভারতে উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলোর হাতে মুসলিম সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, হত্যা, নির্যাতন ও ধর্মীয় স্থাপনা ধ্বংসের প্রতিবাদে ঢাকার সাভারের বাইপাইল শহীদ চত্বরে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বিক্ষোভমুখর মশাল মিছিল।
আধিপত্যবাদ বিরোধী মশাল মিছিলটি আয়োজন করে অদম্য-২৪ ও জুলাই রেজ্যুলেশনারী এলায়েন্স, ঢাকা জেলা উত্তর। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, তরুণ শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
মিছিলটি বাইপাইল শহীদ চত্বর থেকে শুরু হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল মশাল, প্রতিবাদী প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার। এ সময় তারা সীমান্ত হত্যা বন্ধ, মুসলিম নির্যাতনের বিচার এবং সরকারের কার্যকর কূটনৈতিক অবস্থানের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশ সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের শামিল। বারবার এমন ঘটনা ঘটলেও সরকার কার্যকর প্রতিবাদ বা আন্তর্জাতিক মহলে দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণে ব্যর্থ হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
বক্তারা আরও বলেন, ভারতে রাষ্ট্রীয় মদদে উগ্র হিন্দুত্ববাদী গোষ্ঠীগুলো মুসলিম সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলা চালাচ্ছে। নিরীহ মুসলমানদের হত্যা, গ্রেপ্তার ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে একটি সাম্প্রদায়িক পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও দাবি করেন তারা।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় মানবাধিকার, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও আঞ্চলিক শান্তি রক্ষায় মুসলিম নিপীড়নের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর ভূমিকা জরুরি।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা সীমান্ত হত্যা বন্ধে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর হস্তক্ষেপ কামনা করেন এবং বাংলাদেশ সরকারকে আরও দৃঢ় ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণের আহ্বান জানান।
আয়োজকরা জানান, দেশের সার্বভৌমত্ব, মানবাধিকার এবং নিপীড়িত মানুষের পক্ষে জনমত গড়ে তুলতে তাদের এ ধরনের কর্মসূচি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মন্তব্য করুন