বরগুনায় মা ও দুই কন্যার রহস্যজনক মৃত্যু: সুষ্ঠু তদন্ত ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে প্রেসক্লাব
যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান
বৃক্ষ রোপন উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক রিটন
হরিরামপুরে ২১ মাদক মামলার আসামী মাদকসহ গ্রেফতার
হাসপাতালে ভর্তি রোগীর নেতৃত্বে হামলা রূপগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাসহ আহত-৩, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর লুটপাট
আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার
মহালছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি বেলাল ও সম্পাদক ফারুক
পূর্ব বিরোধের জেরে সালথায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১৫; ভাঙচুর ৫ বসতবাড়ি
আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ২৬৫ পিস ইয়াবাসহ ৪ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
আশুলিয়া জুয়ার আসরে অভিযানে ৭ জন পেশাদার জুয়াড়ি গ্রেফতার
আশুলিয়া (ঢাকা) প্রতিনিধি : সাভারের ধামসোনা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আসাদুল হক দুলাল ডাক্তারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ডাকাতি, হত্যাচেষ্টা, লুটপাট ও অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে আশুলিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন কানাডা প্রবাসী মরিয়ম ইয়াসমিন।
প্রবাসী মরিয়ম ইয়াসমিনের অভিযোগ, আশুলিয়া থানাধীন দক্ষিণ গাজীর চট এলাকায় তার বাসভবনে একাধিকবার দুলালের নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালিয়েছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে আসাদুল হক দুলাল তার রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায় করে আসছেন। তিনি একটি সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী ও দখলবাজ চক্র পরিচালনা করেন, যার মাধ্যমে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন।
গত এক মাসে তিনবার প্রবাসীর বাড়িতে হামলা হয়েছে। হামলায় ব্যবহার হয়েছে বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র। সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে ফেলা, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। সর্বশেষ ১৬ জুলাই দুলালের নেতৃত্বে বাহিনী বাড়ির সীমানা প্রাচীর ভেঙে ব্যাপক বোমাবাজি, গুলি, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালায়।
মরিয়ম ইয়াসমিনের অভিযোগে বলেন, দুলাল নিজেই শুধু নয়, তিনি আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে গড়ে তুলেছেন ভয়ঙ্কর এক সন্ত্রাসী বাহিনী। এর প্রধান আলম নামের কুখ্যাত সন্ত্রাসী, যার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অস্ত্র ব্যবসা, মাদক পাচার ও বহু ফৌজদারি মামলা রয়েছে। মামলায় আরও নাম এসেছে চিহ্নিত সন্ত্রাসী দেলোয়ার, ছোট নূরা, বাবু, ফরিদ, বড় নূরা ও শাহাদাতের। এরা সবাই দুলালের নির্দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত বলে অভিযোগ।
তবে মামলা হলেও এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বরং আসামিরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করছে এবং ভুক্তভোগীদের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
একজন ভুক্তভোগী বলেন, আমরা এখনো আতঙ্কে দিন কাটাই। টাকা না দিলে সন্ত্রাসী পাঠায়। বলে ‘আমি বিএনপির নেতা, কেউ আমার কিছু করতে পারবে না।’ এটা কি রাজনীতি, না অপরাধ চক্র?
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হান্নান বলেন, “দুলাল ডাক্তার স্থানীয় ভাবে সন্ত্রাসী ও দখলবাজ হিসেবে পরিচিত। ০৫ আগস্টের পর রাজনীতির প্রভাব খাটিয়ে তিনি আবারও এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। প্রবাসীর খামারে সাম্প্রতিক হামলার পর তিনি পালিয়ে গেছেন। তাকে ধরতে পুলিশ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালাচ্ছে।’
মন্তব্য করুন