বরগুনায় মা ও দুই কন্যার রহস্যজনক মৃত্যু: সুষ্ঠু তদন্ত ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে প্রেসক্লাব
যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান
বৃক্ষ রোপন উদ্বোধন করলেন রাসিক প্রশাসক রিটন
হরিরামপুরে ২১ মাদক মামলার আসামী মাদকসহ গ্রেফতার
হাসপাতালে ভর্তি রোগীর নেতৃত্বে হামলা রূপগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধাসহ আহত-৩, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর লুটপাট
আশুলিয়ায় বিশেষ অভিযানে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ২ নেতা গ্রেপ্তার
মহালছড়িতে পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি বেলাল ও সম্পাদক ফারুক
পূর্ব বিরোধের জেরে সালথায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১৫; ভাঙচুর ৫ বসতবাড়ি
আশুলিয়ায় ডিবির অভিযানে ২৬৫ পিস ইয়াবাসহ ৪ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
আশুলিয়া জুয়ার আসরে অভিযানে ৭ জন পেশাদার জুয়াড়ি গ্রেফতার
ধর্মপাশা প্রতিনিধ
সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারের মরহুম আঃ রাজ্জাক চৌধুরী সাহেবের সুযোগ্য সন্তান ধর্মপাশা উপজেলা সদরের দশদরী গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।
তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পড়াশোনা কালে শহীদ জিয়ার আর্দশে অনুপ্রানিত হয়ে ছাত্র দলে যোগদান করেন এবং ছাত্র দলের প্রতিষ্ঠাতা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও ময়মনসিংহ জেলা ছাত্র দলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৮১ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জি এস হিসেবে নির্বাচিত হন এবং একই সালে ছাত্র দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
পরবর্তীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ও ধর্মপাশা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় ১৯৯৬ ইং সালে সুনামগঞ্জ – ১ নির্বাচনী এলাকায় তাকে মনোনয়ন না দিয়ে নজির হোসেনকে মনোনয়ন দেওয়ায় তিনি মান অভিমান করে দীর্ঘদিন দল থেকে দূরে থেকেছেন।
পরবর্তীতে ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার হাত ধরে পুনরায় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত সুনামগঞ্জ – ১ নির্বাচনী এলাকার ধানের শীষের প্রার্থী হয়ে ৯৬ হাজার হাজার ভোট পান এবং সুনামগঞ্জে ৫ টি আসনের মধ্যে তিনি সর্বোচ্চ ভোট পান।
২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিকল্প ধারা বাংলাদেশ দলে যোগদান করে প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হন এবং জোটে নৌকা প্রতিকে মনোনয়ন পান কিন্তু বিধিবাম থাকায় তার মনোনয়ন বাতিল হয়।
২০১৯ সাল থেকে তিনি রাজনীতি থেকে সরে গিয়ে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে লিপ্ত হন।তিনি ধর্মপাশা উপজেলা বিএনপির সভাপতি থাকাকালে আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়ে কারাভোগ করেছেন।
১৯ শে জুলাই সকাল ১১ ঘটিকার সময় তার বাগান বাড়ীতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আমি অধ্যাপক ডাঃ রফিক চৌধুরী একজন উচ্চ শিক্ষিত, সৎ ও সাহসী, প্রবীন রাজনীতিবিদ।
তিনি বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ, উদার গণতন্ত্র, পরমত সহিষ্ণু ও ধর্মীয় মুল্যবোধ বিশ্বাসী, নিঃস্বার্থ দেশপ্রেমিক ও জনদরদী সমাজ সেবক।দানবীর এই জননেতা মসজিদ, এতিমখানা, মাদ্রাসা, স্কুল কলেজ প্রতিষ্ঠাসহ এলাকার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে জড়িত।
তিনি সংবাদ সম্মেলনে আরো বলেন, দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি অবনতিশীল আইন শৃঙ্খলার উন্নতি করে,শান্তিপৃর্ণ ভাবে অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠ নির্বাচনের মাধ্যমে গনতন্ত্রের উত্তলন এক বিরাট চ্যালেজ্ঞ।
জুলাই ২৪ অভ্যুথানে গন মানুষের আকাঙ্খা বাস্তবায়ন আজ হুমকির সম্মুখীন। আজ ঐক্যবদ্ব ভাবে আন্দোলনে জড়িত দলগুলি পরস্পরের বিরুদ্ধে লিপ্ত।
যা দেশের স্বাধীনতা সারভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক সমাজ নির্মাণে বিরাট বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফ্যাসিস্ট সরকারের রেখে যাওয়া দূর্নীতিগ্রস্থ প্রশাসন সহ সকল স্তরে জমে থাকা আবর্জনা গুলি অপসারণ করে সংস্কার কার্যক্তম দ্রুুত সম্পন্ন করতে হবে।
গণতন্ত্র উত্তোরনে সমাজের ভালো মানুষদের এগিয়ে আসার জন্য আমি আহবান জানাচ্ছি। দেশে নৈরাজ্য, চাঁদাবাজি প্রতিরোধ করে আইনের শাসন, ঘুষ দূর্নীতি মুক্ত জনবান্ধন প্রশাসন সহ সকল স্তরে গনতন্ত্রায়ন প্রয়োজন।
আমি দীর্ঘদিন যাবৎ রাজনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত।
স্বৈরাচারের আমলে আন্দোলন সংগ্রামে নির্যাতিত হয়ে কারাভোগ করেছি। আমি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক বিএনপির কর্মী ও সমর্থক।
আমি মনে করি জনগণের ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জুলাই অভ্যুথান নতুন বাংলাদেশের দুয়ার খুলে দিয়েছে।
এই প্রেক্ষিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ -১ ( ধর্মপাশা,মধ্যনগর, তাহেরপুর ও জামালগঞ্জ) নির্বাচনী এলাকায় বিএনপির মনোনয়নে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একজন প্রার্থী।
আশা করি বিএনপি আমার ত্যাগ তিতিক্ষার ফসল হিসেবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমাকে মনোনীত করে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে সুনামগঞ্জ -১ নির্বাচনী এলাকার গন মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের সেবা করার সুযোগ দান করবেন।
মন্তব্য করুন