শাল্লায় নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ফুসঁলিয়ে বখাটে জয়ন্ত দাস পালিয়ে যায়,থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের
রূপগঞ্জে লোকালয়ের ময়লা আবর্জনার স্তুপ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন \ অবরোধ ও বিক্ষোভ
রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে আটকে রেখে মারধর, নগদ টাকা ও মালামাল ছিনতাই
সালথায় ২০ লিটার দেশীয় মদ উদ্ধার: গ্রেপ্তার ১
পীরগঞ্জে আখ চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষক, খরচ কম,ফলন বেশী
জোনাকী শিল্পীগোষ্টি সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন
সুনামগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সুনামগঞ্জ জেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের নেতৃবৃন্দরা
জ্বালানি সংকটে রূপগঞ্জে আম্বার বোর্ড মিলস বন্ধ ঘোষণাঃ শ্রমিকদের ক্ষোভ
চিরতরে থমকে গেল দুই জীবন: মহালছড়ি মাইসছড়িতে বজ্রপাতে দম্পতির মৃত্যু
সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ।
সম্রাট আলাউদ্দিন,ধামরাই(ঢাকা)
পবিত্র ঈদুল আজহা সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামার (লোহার কাজের কারিগর) পেশার মানুষরা। কোরবানির পশু জবাইয়ের জন্য ব্যবহৃত ছুরি, দা, চাপাতি, বঁটি তৈরিতে এখন দিনরাত পরিশ্রম করছেন তারা। বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এখন তাদের কাজের চাপ বেড়েছে কয়েকগুণ।রাজধানী ঢাকার ধামরাইয়ে কামাররা এখন টুংটাং শব্দে দিন শুরু করছেন ভোর থেকেই। কেউ তৈরি করছেন নতুন ছুরি-চাপাতি, কেউ বা পুরোনো সরঞ্জাম ধার দিয়ে দিচ্ছেন নতুনের মতো করে।ধামরাইয়ের কামারপট্টির কারিগর লিটন সরকার বলেন,কোরবানির এক মাস আগে থেকেই কাজের চাপ শুরু হয়। এখন তো অনেক সময় খাওয়া-ঘুম বাদ দিয়ে কাজ করতে হয়। গ্রাহকরা অনেক আগে থেকেই অর্ডার দিয়ে যান। আবার অনেকে শেষ সময়ে এসে কাজ করিয়ে নিয়ে যান।তিনি জানান, একটি সাধারণ দা বা ছুরির দাম পড়ছে ২০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে। তবে নতুন ডিজাইনের ও উন্নতমানের চাপাতির দাম হাজার টাকার বেশি। মজুরি ও কাঁচামালের দাম বাড়ায় এবার কিছুটা বেশি খরচে বিক্রি করতে হচ্ছে।স্থানীয় এক ক্রেতা বলেন, কোরবানির জন্য ছুরি-চাপাতি না হলে তো কিছুই করা সম্ভব না। তাই কামারদের দোকানেই আসতে হয়। এবার দেখি দাম একটু বেশি, তবে কাজও ভালো।
অন্যদিকে, কামারদের কেউ কেউ জানিয়েছেন, ঈদের মৌসুমে ভালো আয় হলেও বছরের বাকি সময় তারা তেমন কাজ পান না। এক কামার বলেন, আমরা ঈদের সময় কিছু আয় করি, ওই টাকাতেই অনেক সময় বছরের বাকিটা চালাতে হয়।তবে প্রযুক্তির আধুনিকায়নের ফলে কারখানায় তৈরি ছুরি-চাপাতির প্রতিযোগিতায় অনেক কামারই টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছেন। তারপরও শত প্রতিকূলতার মাঝেও টিকে আছেন তারা, ঈদের মৌসুমে যেন তাদের কর্মচাঞ্চল্যে ফিরে আসে পুরনো সেই ঐতিহ্য।
মন্তব্য করুন