শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিনিয়ত মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে।
মহালছড়িতে ৩৫০ প্রান্তিক কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক: বিতরণ করা হলো সার ও বীজ
হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে– সুনামগঞ্জে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
রূপগঞ্জের দুইশত পরিবার আবারো উচ্ছেদ আতঙ্কে, অনাবাসিক জমিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি
তাহিরপুরে ৩০ অসহায় পরিবারের মাঝে ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসামগ্রী বিতরণ করল বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ
বিএনপির আদর্শে ‘অ্যাসোসিয়েশন অব মেরিটাইম প্রফেশনালস (বাংলাদেশ)’-এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠন
হরিরামপুরে আগ্রাইল দড়িকান্দি যুব সংঘের উদ্যোগে ফুটবল প্রাতি টুর্নামেন্ট-২০২৬ অনুষ্ঠিত।
রূপগঞ্জ সাবেক মন্ত্রী গাজীর বিরুদ্ধে মাদ্রাসার জমি দখলের অভিযোগে মানববন্ধন
পীরগঞ্জ পৌরসভায় জি,আর চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ,২০ কেজির জায়গায় দেওয়া হলো১০ কেজি
জয় চন্দ্র শীল,বরগুনা প্রতিনিধি
পবিত্র ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বরগুনার ঐতিহ্যবাহী কোরবানির পশুর হাটগুলো এখন পুরোদমে জমজমাট। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখরিত হয়ে উঠেছে পশুর হাটগুলো। জেলার প্রধান প্রধান হাটগুলোতে পশুর সরবরাহ যেমন প্রচুর, তেমনি দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্রেতাদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।
স্থানীয় খামারি ও বাজার ইজারাদারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবার বরগুনার হাটগুলোতে দেশি ও প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা গরুর চেয়ে ক্রেতারা সুস্থ ও মাঝারি গড়নের দেশি গরুর দিকেই বেশি ঝুঁকছেন।
বরগুনা সদর, আমতলী, পাথরঘাটা এবং বেতাগীসহ বিভিন্ন উপজেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী হাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর কেনাবেচা সবচেয়ে বেশি হচ্ছে।মাঝারি আকারের গরু ৭০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার মধ্যে মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি এবং বিক্রিও হচ্ছে দ্রুত।বড় আকারের গরু বড় সাইজের এবং সৌখিন খামারিদের লালন-পালন করা গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে দেড় লক্ষ থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।গরুর পাশাপাশি ছাগলেরimport বাজারেও রয়েছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মানের ছাগল পাওয়া যাচ্ছে।
খামারি ও ক্রেতাদের বলে পোটকাখালী হাট থেকে গরু কিনতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা রহমান মিয়া বলেন, “গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। তবে হাটে পশুর কোনো সংকট নেই। অনেক দেখেশুনে একটা দেশি মাঝারি গরু ১ লক্ষ ৫ হাজার টাকায় কিনলাম।”
অন্যদিকে, গরুর ন্যায্য দাম পেয়ে খুশি বিক্রেতারাও। সদর উপজেলার খামারি আল-আমিন জানান, “গোখাদ্যের দাম বাড়ায় এবার গরু লালন-পালন করতে খরচ বেশি হয়েছে। তবে হাটে ক্রেতা ভালো থাকায় এবং সরাসরি বিক্রি করতে পারায় লোকসান হচ্ছে না।”
হাটগুলোতে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে লক্ষ্যে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।নিরাপত্তা জোরদার জাল টাকা শনাক্তকরণে প্রতিটি বড় হাটে বসানো হয়েছে বিশেষ বুথ। এছাড়া মলম পার্টি বা অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধে সাদা পোশাকে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছেন। পাশাপাশি হাটে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমও দায়িত্ব পালন করছে।
ইজারাদারদের মতে, ঈদের আগের দিন পর্যন্ত কেনাবেচা আরও বাড়বে। সব মিলিয়ে বরগুনার কোরবানির পশুর হাটে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
মন্তব্য করুন