শাল্লায় নবম শ্রেণীর শিক্ষার্থীকে ফুসঁলিয়ে বখাটে জয়ন্ত দাস পালিয়ে যায়,থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের
রূপগঞ্জে লোকালয়ের ময়লা আবর্জনার স্তুপ অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন \ অবরোধ ও বিক্ষোভ
রূপগঞ্জে পাঠাও কর্মীকে আটকে রেখে মারধর, নগদ টাকা ও মালামাল ছিনতাই
সালথায় ২০ লিটার দেশীয় মদ উদ্ধার: গ্রেপ্তার ১
পীরগঞ্জে আখ চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষক, খরচ কম,ফলন বেশী
জোনাকী শিল্পীগোষ্টি সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন
সুনামগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সুনামগঞ্জ জেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের নেতৃবৃন্দরা
জ্বালানি সংকটে রূপগঞ্জে আম্বার বোর্ড মিলস বন্ধ ঘোষণাঃ শ্রমিকদের ক্ষোভ
চিরতরে থমকে গেল দুই জীবন: মহালছড়ি মাইসছড়িতে বজ্রপাতে দম্পতির মৃত্যু
সুনামগঞ্জের লাউড়েরগর গ্রামে আসাদ মিয়ার ঘর থেকে ৩০০ বোতল ফেনসিডিল,ফোসকাসহ ভারতীয় পণ্য জব্দ।
জয় চন্দ্র শীল,বরগুনা প্রতিনিধি
পবিত্র ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে বরগুনার ঐতিহ্যবাহী কোরবানির পশুর হাটগুলো এখন পুরোদমে জমজমাট। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতা-বিক্রেতাদের হাঁকডাকে মুখরিত হয়ে উঠেছে পশুর হাটগুলো। জেলার প্রধান প্রধান হাটগুলোতে পশুর সরবরাহ যেমন প্রচুর, তেমনি দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্রেতাদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।
স্থানীয় খামারি ও বাজার ইজারাদারদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এবার বরগুনার হাটগুলোতে দেশি ও প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি। কৃত্রিমভাবে মোটাতাজা করা গরুর চেয়ে ক্রেতারা সুস্থ ও মাঝারি গড়নের দেশি গরুর দিকেই বেশি ঝুঁকছেন।
বরগুনা সদর, আমতলী, পাথরঘাটা এবং বেতাগীসহ বিভিন্ন উপজেলার স্থায়ী ও অস্থায়ী হাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর কেনাবেচা সবচেয়ে বেশি হচ্ছে।মাঝারি আকারের গরু ৭০ হাজার থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকার মধ্যে মাঝারি সাইজের গরুর চাহিদা সবচেয়ে বেশি এবং বিক্রিও হচ্ছে দ্রুত।বড় আকারের গরু বড় সাইজের এবং সৌখিন খামারিদের লালন-পালন করা গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে দেড় লক্ষ থেকে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।গরুর পাশাপাশি ছাগলেরimport বাজারেও রয়েছে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। ১৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকার মধ্যে ভালো মানের ছাগল পাওয়া যাচ্ছে।
খামারি ও ক্রেতাদের বলে পোটকাখালী হাট থেকে গরু কিনতে আসা স্থানীয় বাসিন্দা রহমান মিয়া বলেন, “গত বছরের তুলনায় এবার গরুর দাম কিছুটা বেশি মনে হচ্ছে। তবে হাটে পশুর কোনো সংকট নেই। অনেক দেখেশুনে একটা দেশি মাঝারি গরু ১ লক্ষ ৫ হাজার টাকায় কিনলাম।”
অন্যদিকে, গরুর ন্যায্য দাম পেয়ে খুশি বিক্রেতারাও। সদর উপজেলার খামারি আল-আমিন জানান, “গোখাদ্যের দাম বাড়ায় এবার গরু লালন-পালন করতে খরচ বেশি হয়েছে। তবে হাটে ক্রেতা ভালো থাকায় এবং সরাসরি বিক্রি করতে পারায় লোকসান হচ্ছে না।”
হাটগুলোতে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে লক্ষ্যে জেলা ও পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।নিরাপত্তা জোরদার জাল টাকা শনাক্তকরণে প্রতিটি বড় হাটে বসানো হয়েছে বিশেষ বুথ। এছাড়া মলম পার্টি বা অজ্ঞান পার্টির তৎপরতা রোধে সাদা পোশাকে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখছেন। পাশাপাশি হাটে পশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি মেডিকেল টিমও দায়িত্ব পালন করছে।
ইজারাদারদের মতে, ঈদের আগের দিন পর্যন্ত কেনাবেচা আরও বাড়বে। সব মিলিয়ে বরগুনার কোরবানির পশুর হাটে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।
মন্তব্য করুন