হরিরামপুরে নৌপথে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।
রূপগঞ্জে দাফনের আড়াই বছর পর কবর থেকে মালয়েশিয়া প্রবাসীর লাশ উত্তোলন
হরিরামপুরে নদী ভাঙন রোধে চলমান ১৫৫ মিটার অস্থায়ী পাক প্রতিরক্ষামূলক কাজের উদ্বোধন।
পীরগঞ্জে পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অর্ধগলিত নারীর মরদেহ উদ্ধার
চার দশকের অপেক্ষা, এখনও মেলেনি নিরাপদ আশ্রয় জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন কাটছে রূপগঞ্জের দুই প্রতিবন্ধী বোন আছিয়া ও মরিয়মের
রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসা ও সেবনের অভিযোগে ১২ যুবককে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড
মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও শিক্ষার্থীদের মাঝে আশিকার বহুমুখী সহায়তা
শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিনিয়ত মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে।
মহালছড়িতে ৩৫০ প্রান্তিক কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক: বিতরণ করা হলো সার ও বীজ
হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে– সুনামগঞ্জে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
নজরুল ইসলাম লিখন, রূপগঞ্জ
ঈদুল আজহা সামনে রেখে কোরবানির পশু কেনাবেচা জমে উঠেছে| পশুর পাশাপাশি বাড়ছে কসাই সরঞ্জামের চাহিদাও| দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতির পাশাপাশি কদর পেয়েছে কাঠের ˆতরি মাংস কাটার খাটিয়া, হোগলা, প্লাস্টিক|অস্থায়ী দোকানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে বিভিন্ন আকারের প্লাস্টিক, হোগলা, খাটিয়া| বিক্রেতারা জানাচ্ছেন, সর্বনিম্ন ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬০০ টাকা পর্যন্ত দামে এসব খাটিয়া বিক্রি হচ্ছে| সাধারণত তেঁতুল কাঠের ˆতরি খাটিয়াই সবচেয়ে বেশি চাহিদাসম্পন্ন|
ঈদের সময় যতই ঘনিয়ে আসছে গাছের গুঁড়ির চাহিদা ততই বাড়ছে| হাট বাজারে কিংবা নগরীর বিভিন্ন রাস্তার পাশে এসব গাছের গুঁড়ির পসরা সাজিয়ে বসে বিক্রি করছেন মৌসুমি বিক্রেতারা| নগরীর বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন এসে এসব গুঁড়ি ক্রয় করছেন|গাছের গুঁড়ি মূলত তেঁতুল, নিম, করইসহ বিভিন্ন গাছের হয়| এরমধ্যে ক্রেতাদের কাছে তেঁতুল গাছের গুঁড়ির চাহিদা রয়েছে সবার উপরে| এক একটি গাছের গুঁড়ি ১ফুট বা সোয়া ফুট ল¤^া রাখা হয়| প্রতিটি গাছের গুঁড়ি ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে|
স্থানীয় এক ক্রেতা ইসলাম জানান, “কোরবানির ঈদে খাটিয়া দরকার হয়, তাই এবার ৪০০ টাকায় একটি তেঁতুল কাঠের খাটিয়া কিনেছি|” আরেক ক্রেতা ছালেক বলেন, “কসাইরা তো খাটিয়া ব্যবহার করে, এখন সাধারণ মানুষও কাজের সুবিধার্থে কিনে নিচ্ছেন|”উপজেলার একাধিক ‘স’মিল মালিকরা জানান, সব গাছ দিয়ে গুঁড়ি ˆতরি করা যায় না| তেঁতুল গাছের গুঁড়ি সব চেয়ে ভালো হয়| আর তেতুঁল গাছ ছাড়া অন্য গাছ দিয়ে খাটিয়া ˆতরি করলে মাংসের সঙ্গে গাছের গুঁড়ি উঠে মাংসের মান নষ্ট হয়ে যায়|
আর এই গাছের গুঁড়ি সহজে নষ্ট হয় না| কাজ শেষে পরিষ্কার করে যত্ন করে রাখলে বহুদিন থাকে| তাই ঈদুল আজহা আসলেই সবার কাছে তেঁতুল গাছের গুঁড়ির চাহিদা বেড়ে যায়|তারা আরো জানান, এখন আর আগের মতো তেমন বেশি তেঁতুল গাছ পাওয়া যায় না| আর পাওয়া গেলেও অতিরিক্ত দামে ক্রয় করতে হয়| তারপর ‘স’মিলে নিয়ে খন্ড করে গুঁড়ি ˆতরি করে বিক্রি করা হয়|
মৌসুমি তেঁতুল গাছের গুঁড়ি বিক্রেতা ছালামত মোল্লা বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে গুঁড়ির কদর বেড়েছে| ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী ছোট, মাঝারি ও বড় তিন ধরনের গুঁড়ি তিনি ˆতরি করে বিক্রি করছেন| তার কাছে বেশি বিক্রি হচ্ছে তেঁতুল গাছের গুঁড়ি| এক একটি গুঁড়ি ২০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন|
৫নং ওয়ার্ড এলাকার আওলাদ ভুইয়া বলেন, গরু কেনা শেষ| শুধু বাকি ছিল গাছের গুঁড়ি কেনার| তেঁতুল গাছের গুঁড়ি ভালো হওয়ায় ৩৫০ টাকায় একটি ক্রয় করলাম|আরো জানান, কোরবানির পশু জবাইয়ের পর চামড়া ছাড়ানোর পর পরিচ্ছন্নভাবে গোশত কাটার জন্য গাছের গুঁড়ি ভালো হয়| তাই বড় আকারের একটি তেঁতুল গাছের গুঁড়ি ৩৫০ টাকায় কেনা হয়েছে|
নবগ্রাম থেকে আসা কাঠ ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন বলেন, গত কয়েক বছর ধরে তেঁতুল গাছ পাওয়া বড়ই দুষ্কর হয়ে উঠেছে| ফলে তেঁতুল গাছের ˆতরি গুঁড়ির দাম একটু বেশি নেয়া হচ্ছে| এখন মানুষ খুবই সচেতন| সবাই চায় পরিচ্ছন্নভাবে মাংস বানাতে|অপর দিকে মুড়াপাড়া বাজারে আসলাম মিয়া বসেছেন হোগলা নিয়ে| এবার নাকি হোগলার দাম একটু বেশি| বিভিন্ন চরাঞ্চলে তেমন হোগলা না জন্মানোর কারনে ঠিকমত হোগল পাতা পাওয়া যাচ্ছে না|
তাই তারা বিভিন্ন উপকুলীয় এলাকা থেকে হোগলপাতা ক্রয় করে আনা ও বোনা পর্যন্ত খরচের পরিমান বেড়ে গেয়ে ফলে বড় সাইজের একটি হোগলা বিক্রি করছেন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা| আর মাঝারি সাইজেরটা বিক্রি করতে হচ্ছে ২০০টাকা
মন্তব্য করুন