হরিরামপুরে নৌপথে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।
রূপগঞ্জে দাফনের আড়াই বছর পর কবর থেকে মালয়েশিয়া প্রবাসীর লাশ উত্তোলন
হরিরামপুরে নদী ভাঙন রোধে চলমান ১৫৫ মিটার অস্থায়ী পাক প্রতিরক্ষামূলক কাজের উদ্বোধন।
পীরগঞ্জে পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অর্ধগলিত নারীর মরদেহ উদ্ধার
চার দশকের অপেক্ষা, এখনও মেলেনি নিরাপদ আশ্রয় জরাজীর্ণ ঘরে মানবেতর জীবন কাটছে রূপগঞ্জের দুই প্রতিবন্ধী বোন আছিয়া ও মরিয়মের
রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসা ও সেবনের অভিযোগে ১২ যুবককে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড
মহালছড়িতে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও শিক্ষার্থীদের মাঝে আশিকার বহুমুখী সহায়তা
শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রতিনিয়ত মানুষ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে।
মহালছড়িতে ৩৫০ প্রান্তিক কৃষকের মুখে হাসির ঝিলিক: বিতরণ করা হলো সার ও বীজ
হাওরাঞ্চলের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে– সুনামগঞ্জে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ
মো: আসিফ খান, স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকার আশুলিয়ায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ পারভীন আক্তার (৪৮) নামে এক শীর্ষ নারী মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পূর্বে চারটি মামলা রয়েছে। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বুধবার (১ জুলাই) দুপুরে ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তার পারভীন আক্তার আশুলিয়া থানার বাইপাইল আমবাগান কবরস্থান এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত আলাল মিয়া ও মৃত মাফিয়া বেগমের মেয়ে এবং মোকছেদুর রহমান ওরফে আক্তারের স্ত্রী।
পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার শামীমা পারভীনের নির্দেশনায় মাদক নির্মূলে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে ডিবি উত্তর-এর অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি দল মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে এসআই মো. মতিউর রহমান সঙ্গীয় ফোর্সসহ পারভীন আক্তারকে গ্রেপ্তার করেন। এ সময় তার হেফাজত থেকে ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য প্রায় ১৫ হাজার টাকা।
ডিবি পুলিশের দাবি, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, পারভীন আক্তার দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। স্থানীয়ভাবে তার নেতৃত্বে ‘পারভীন স্পট’ নামে পরিচিত একটি মাদক বিক্রয়কেন্দ্র পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে। তার বিরুদ্ধে এর আগেও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে চারটি মামলা রয়েছে।
ঢাকা জেলা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, উক্ত ঘটনায় তার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে ঢাকা জেলায় গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক ব্যবসা, পরিবহন ও পাচারের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্তব্য করুন