মহালছড়িতে যুব রেড ক্রিসেন্টের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রশিক্ষণ সম্পন্ন, সনদ পেল ৪৫ শিক্ষার্থী
মহালছড়িতে যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানে সেনাবাহিনীর ২১ দিনব্যাপী মেকানিক্যাল প্রশিক্ষণ শুরু
মধ্যনগরে জমজমাট ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল, প্রধান অতিথি রায়হান উদ্দিন সোহেল
ককটেল বিস্ফোরণে জড়িত কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ: ডিএমপি
রামিসার মতো অপ্রতিম হত্যারও দ্রুত বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
রূপগঞ্জে বালি ফেলে ভরাট হচ্ছে খাল বিল পুকুর, হারিয়ে যাচ্ছে শাপলার প্রজনন ক্ষেত্র জলাশয় ভরাটে হারিয়ে যাচ্ছে জাতীয় ফুল শাপলা
এআই নজরদারিতে ‘এআই ফোর্স’ গঠনের ঘোষণা ট্রাম্পের
প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে যুক্তরাষ্ট্রে বিএনপির সর্বাত্মক প্রস্তুতি
আমার একটাই ছেলে, ভুল করে থাকলে ক্ষমা করে দেবেন: অপ্রতিমের বাবা
তুর্কি লিগে মোহাম্মদ সালাহর প্রথম হ্যাটট্রিকবে।
শাহ্ মুহাম্মাদ ছগির হোসেন, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ- ঢাকা গামী ট্রেনের সংরক্ষিত মহিলা বগিতে প্রতিদিনই দেখা যাচ্ছে পুরুষ যাত্রীদের দখলদারিত্ব। এমনকি পর্দাশীল বয় বৃদ্ধ নারীরা দাঁড়িয়ে থেকেও বসার সিট পাচ্ছেন না, অথচ নির্লজ্জভাবে পুরুষ যাত্রীরা এসব সিট দখল করে বসে থাকেন।
সম্প্রতি ফেসবুকে ভাইরাল হওয়া কিছু ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, সংরক্ষিত মহিলা বগিতে অনেক পুরুষ যাত্রী বসে আছেন এবং নারীদের জন্য নির্ধারিত সিটেও তারা অবাধে অবস্থান করছেন। নারী যাত্রীরা কিছু বললে তাদের সাথে দুর্ব্যবহারও করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় নারী যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে।
এই পরিস্থিতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, সরকারি তোলারাম কলেজ শাখার সভাপতি শাহ্ মুহাম্মদ ছগির হোসেন। তিনি এক ফেসবুক বার্তায় বলেন, “মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত বগিতে যে সকল পুরুষ নামধারী মহিলা বসে থাকে, তাদের জন্য তীব্র নিন্দা জানাই। নারীরা অসহায়ের মতো দাঁড়িয়ে থাকে, আর পুরুষরা নির্লজ্জভাবে বসে থাকে।”
তিনি আরও বলেন, “শীঘ্রই আমাদের এই চিত্র পাল্টাতে হবে। আমরা চাই একদিন অভিযান চালিয়ে নিশ্চিত করতে হবে যে, সংরক্ষিত বগিতে শুধুমাত্র মহিলারাই উঠবে। পুরুষদের অন্য বগিতে ওঠার ব্যবস্থা করতে হবে, তারপর ট্রেন ছাড়বে।”
তিনি জানান, নারায়ণগঞ্জের সরকারি তোলারাম কলেজ, সরকারি মহিলা কলেজ ও নারায়ণগঞ্জ কলেজের বহু ছাত্রী প্রতিদিন ট্রেনে যাতায়াত করেন। এসব শিক্ষার্থীদের অনেক সময় সংরক্ষিত বগিতে উঠেও তর্ক-বিতর্ক ও অসম্মানজনক পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়। “আমার অসহায় ছাত্রী বোনেরা চোখের পানি ফেলেই চুপ থাকতে বাধ্য হয় । তাদের জন্য এই অন্যায়ের অবসান জরুরি।”
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ, তারা যেন এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন এবং নিয়মিত নজরদারি চালান, যেন সংরক্ষিত বগিতে নারীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত হয়।
মন্তব্য করুন