‘লাস্ট ড্যান্সে’ বিশেষ জার্সি পরে খেলবেন মেসি, দেখতে কেমন
বিশ্ববাজারে কমলো রুপা, প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দাম
মহেশখালীতে খুঁটিতে বেঁধে পিঠে ইট রেখে যুবককে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আটক-১
রূপগঞ্জে পাউবো কর্মকর্তার দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুদকের অভিযান
পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে মানিকগঞ্জে যুবদলের বিক্ষোভ
হরিরামপুরে যুবদলের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ
দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম, অনুমোদন দিল ভারত
রামেকে ২৪ ঘণ্টায় ২৯ ডেঙ্গু রোগী ভর্তি, মৃত্যু ১
যুক্তরাষ্ট্রে নেমেই জাতিসংঘকে এক হাত নিলেন আরাগচি
এক সপ্তাহ পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল
নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতিসংঘের ওপর মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস হারিয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পৌঁছে মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর আলজাজিরার।
আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী শাসকের আমাদের বিরুদ্ধে চালানো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কাপুরুষোচিত যুদ্ধ, পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ এবং বাস্তবে এখনো যুদ্ধাবস্থা পরিস্থিতির মধ্যেই এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তিনি বলেন, স্বাভাবিকভাবেই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে ইরানি জনগণের বৈধতা, অধিকার ও স্বার্থের পক্ষে অবস্থান তুলে ধরা।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়ায় জাতিসংঘ তার বিশ্বাসযোগ্যতা ও মানুষের আস্থা হারিয়েছে। মঙ্গলবার ‘আস্থা পুনরুদ্ধার’ প্রতিপাদ্যে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন শুরু হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিষয়টি সংস্থাটির প্রতি আস্থা কমে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করে।
আরাগচির মতে, এটি সবার স্বীকৃতিরই প্রতিফলন যে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা কার্যকরভাবে বজায় রাখতে ব্যর্থতার কারণে এই সংস্থার ওপর আস্থা ক্ষয় হয়েছে, কিংবা পুরোপুরি হারিয়ে গেছে।
তিনি আরও বলেন, কিছু দেশ নিজেদের এমনভাবে উপস্থাপন করে যেন তাদের দায়মুক্তভাবে কাজ করার অধিকার রয়েছে। তারা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক আইন, এমনকি মানবতার সম্মিলিত বিবেককেও উপেক্ষা করে। নিজেদের ও নিজেদের মিত্রদের জন্য তারা দায়মুক্তি দাবি করে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অভিযোগ করেন, এর ফলে ইহুদিবাদী শাসকের মতো একটি অপরাধী সত্তাকে ইচ্ছামতো কর্মকাণ্ড চালানোর সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। একই সময়ে নিজেদের মানবাধিকার ও মানবিক আইনের রক্ষক হিসেবে পরিচয় দেওয়া পশ্চিমা ও ইউরোপীয় দেশগুলো নীরব রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সূত্র : আলজাজিরা
মন্তব্য করুন